এক রাতের টানা বৃষ্টিতে দার্জিলিঙের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মিরিকে লোহার সেতু ভেঙে পড়ে অন্তত ন’জনের মৃত্যু হয়েছে, আর সুখিয়ায় মারা গিয়েছেন চারজন। পাহাড়ের একাধিক জায়গায় ধস নেমে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিকিম ও কালিম্পঙের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল। সেই মতো শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে তিস্তা নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর জল উঠে এসেছে জাতীয় সড়ক পর্যন্ত।তিস্তাবাজারের কাছে ২৯ মাইল ও ভালুখোলার অংশে তিস্তার জল উঠে বন্ধ হয়ে গেছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক।এছাড়া মিরিক ও দুধিয়ার মাঝের লোহার সেতুর একাংশ বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে, যার ফলে শিলিগুড়ি–মিরিক–দার্জিলিং রুটে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ। এমনকি, দার্জিলিং শহরের সঙ্গেও সংযোগ বিঘ্নিত হয়েছে — যা বিরল ঘটনা বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।রাজ্য প্রশাসন ও দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ইতিমধ্যেই উদ্ধার কাজে নেমেছে। প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আশঙ্কা করা হচ্ছে, পাহাড়ে আরও ধস নামতে পারে।

