দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে যমুনার জল। মঙ্গলবার সকালেই বিপদসীমা (২০৫.৩৩ মিটার) অতিক্রম করে রাতের মধ্যে তা ২০৮.৩৬ মিটারে পৌঁছে যায়। প্রশাসনের আশঙ্কা, এভাবে জল বাড়তে থাকলে অচিরেই ভেঙে যাবে গত বছরের রেকর্ড (২০৮.৬৬ মিটার)।মৌসম ভবনের বিজ্ঞানী আর কে জেনামানি জানিয়েছেন, দিল্লি-এনসিআর ছাড়াও আগামী ২৪ ঘণ্টায় হিমালয় সংলগ্ন রাজ্যগুলিতে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বিশেষত উত্তরাখণ্ড ও জম্মু-কাশ্মীরে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টি হবে পঞ্জাবেও।গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত রাজধানী। যমুনার জল ঢুকে পড়েছে দিল্লি ও আশেপাশের বহু এলাকায়। হরিয়ানার হাতিকুণ্ড বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে বিপদ আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার যমুনা বাজার এবং আশপাশের লোকালয়ে কোমরসমান জল ঢুকে পড়ে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘুরছেন।নয়ডার সেক্টর ১২৮-এর বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। সোনিপতে টানা বৃষ্টিতে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ ডুবে গেছে। দিল্লির জনকপুরী এলাকায় ধসে পড়েছে একটি রাস্তা।পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে আশঙ্কা করে ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পুরনো রেলওয়ে ব্রিজ। প্রশাসন জানাচ্ছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত জানিয়েছেন, “যমুনা সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকলেও শহরে এর বড় প্রভাব পড়বে না। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।”

