দায়িত্বের চাপে ভরা রাজনৈতিক জীবনেও মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ও মানবিকতা হারাননি রাজ্যের জনপ্রিয় কৃষি মন্ত্রী রতন লাল নাথ। শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রায় প্রতিদিনই তিনি নিজের এলাকার পাশাপাশি রাজ্যের সর্বস্তরের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন। তার এমনই এক মানবিক দৃষ্টান্ত ধরা পড়ল লেফুঙ্গা এলাকায়।সেদিন সকালে মন্ত্রী রতন লাল নাথ খবর পান — লেফুঙ্গা এলাকার ভগবান ঠাকুরপাড়ার বাসিন্দা এবং তাঁর দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা মোহন দেববর্মা আর নেই। বহু বছর ধরে রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন এই মোহন দেববর্মা। সহযোদ্ধার মৃত্যু সংবাদে ব্যথিত মন্ত্রী সমস্ত কাজ সরিয়ে রেখে সোজা রওনা দেন ভগবান ঠাকুরপাড়া গ্রামে।গ্রামে পৌঁছে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাঁদের সান্ত্বনা দেন এবং প্রয়াত মোহন দেববর্মার আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং আশ্বাস দেন যে, সরকার সবসময় তাঁদের পাশে থাকবে।এরপর মন্ত্রী লেফুঙ্গা এলাকার গামছাকুবরা এডিসি ভিলেজে যান। সেখানকার জহরলাল দেববর্মার মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে শোকপ্রকাশ করতে উপস্থিত হন। মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুঃখে সামিল হন এবং প্রয়াত আত্মার শান্তি কামনা করেন।শুধু রাজনীতিবিদ নয়, রতন লাল নাথকে মানুষ চেনেন এক মানবিক হৃদয়ের মানুষ হিসেবে। রাজ্যের নানা প্রান্তে তিনি যখনই কারও বিপদ বা কষ্টের কথা জানতে পারেন, নিজের ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও সেখানে উপস্থিত হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান।স্থানীয়রা জানান, “মন্ত্রী মহাশয় শুধু কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করেন তিনি মানুষের প্রতিনিধি। তিনি আসলে আমাদের পরিবারেরই একজন।”রাজনীতির বাইরে এমন মানবিক মন্ত্রীর উদ্যোগ রাজ্যজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

