22 C
Agartala

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং: ওজন কমাতে কার্যকর, তবে সবার জন্য নয়,,হার্ট, সুগার বা বিশেষ শারীরিক অবস্থায় বিপদ হতে পারে

Published:

ওজন কমানো, সুগার নিয়ন্ত্রণ, বিপাকক্রিয়ার উন্নতি— এসব কারণে বর্তমানে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং দারুণ জনপ্রিয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস সবার জন্য উপকারী নয়। সঠিক পরামর্শ ছাড়া শুরু করলে ঝুঁকি হতে পারে।ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কী?দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে ক্যালোরির বেশির ভাগ অংশ গ্রহণ করা হয়, যেমন ৩–৪ ঘণ্টার মধ্যে। বাকি সময়, অর্থাৎ প্রায় ২০ ঘণ্টা শুধু জল, চা বা কফির মতো পানীয় নেওয়া হয়।কাদের এড়িয়ে যাওয়া উচিত?১. হার্টের রোগীরা:দিনের মধ্যে সীমিত সময়ে খাবার গ্রহণ হার্টের উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।২. ডায়াবেটিস রোগীরা:রক্তে শর্করার তারতম্য হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ না খেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে— মাথা ঘোরা, ক্লান্তি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।৩. অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী মায়েরা:গর্ভস্থ বা নবজাতকের সঠিক পুষ্টি ব্যাহত হতে পারে। তাই এ সময় উপোস একেবারেই ঠিক নয়।৪. অপুষ্টিতে ভোগা ব্যক্তি:দেহে পুষ্টিগুণের অভাব থাকলে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শরীরকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।৫. ১৮ বছরের কম বয়সিরা:কিশোর বয়সে দেহের গঠন ও বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টির দরকার হয়। তাই এই বয়সে ফাস্টিং ক্ষতিকর হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নইলে ওজন কমানোর বদলে উল্টো শরীরের ক্ষতি হতে পারে।

advertisement

পরবর্তী খবর

- Advertisement -