ঘটনার বিবরনে জানা যায় মিয়াপাড়া এলাকার রিজিক মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া তার বাড়ির পাশের এক নাবালিকা মেয়ে যার বয়স বর্তমানে নয় সেই মেয়েটিকে ভালোবাসার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে এনে ধর্ষণ করে। প্রথম দিকে মেয়েটি কিছু বলতে না পারলেও পরবর্তী সময়ে সেই মেয়েটির যন্ত্রণা অস্থির হয়ে তার মা-বাবাকে ঘটনা খুলে বলে। পরবর্তী সময়ে নাবালিকা মেয়ের মা বাবা রবিবার বিকাল চারটা নাগাদ মধুপুর থানায় এসে রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।পরবর্তী সময়ে মধুপুর থানার সেকেন্ড অফিসার চিত্তরঞ্জন রিয়াং এর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে রাসেল মিয়াকে তার বাড়ি দেখে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। জানা যায় রাসেল মিয়া বিবাহিত পুরুষ তারপরেও ওই এলাকার নয় বছরের এক নাবালিকা মেয়েকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এদিকে মধুপুর থানার সেকেন্ড অফিসার চিত্তরঞ্জন রিয়াং জানান রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হাতে নিয়ে পকসো আইনে সেই যুবককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আজ তাকে মহকুমা আদালতে প্রেরন করা হবে। এদিকে অভিযুক্ত যুবকের মা সরাসরি দাবি করেন তার ছেলেকে উদ্দেশ্যে প্রমাণিত ভাবে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। তবে তার ছেলে এই কাজে যুক্ত নয়। এখন দেখার বিষয় পুলিশ মামলা হাতে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষার পরে সেই অভিযোগের পরীপ্রেক্ষিতে কতটুকু সত্য পায়।

