22 C
Agartala

ত্রিপুরাবাসী সত্যিকার অর্থে একজন জননেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্বকে হারিয়েছে : বিশ্ববন্ধুর স্মৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী

Published:

আমি শুধু একজন বন্ধুকেই হারাইনি , ত্রিপুরাবাসী সত্যিকার অর্থে একজন জননেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্বকে হারিয়েছে। তিনি সর্বদা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেন। দূরদর্শী ছিলেন। বিধানসভার অধ্যক্ষ প্রয়াত বিশ্ববন্ধু সেনের স্মৃতিতে এই কথাগুলি বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। জনসেবায় বিশ্ববন্ধু সেনের আমৃত্যু সংগ্রাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ধর্মনগরবাসীর প্রতি তার যে গভীর টান তা বিভিন্ন সময়ে আমি উপলব্ধি করেছি। বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। রবিবার আগরতলার নজরুল কলাক্ষেত্রে বিধানসভার অধ্যক্ষ প্রয়াত বিশ্ববন্ধু সেনের স্মৃতিচারণ সভার আয়োজনকরা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথাগুলি বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, বিধানসভার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিচালনাতে তিনি তার বলিষ্ঠ ও স্মরণীয় অবদান রেখে গিয়েছেন। নাটক , যাত্রার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সাহিত্য চর্চা করতেন। রবীন্দ্র সংগীতের অর্থ বুঝার চেষ্টা করতেন। কোনো কিছু ভালো ভাবে জেনে বুঝে হৃদয়ঙ্গম করতেন। সবকিছুতে প্রো একটিভ ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জীবনে প্রতিনিয়ত কমিউনিস্টদের সঙ্গে লড়াই করে গেছেন বিশ্ববন্ধু সেন। ব্যক্তিগত ভাবে আমি শুধু একজন বন্ধুকেই হারাইনি , ত্রিপুরাবাসী সত্যিকার অর্থে একজন জননেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্বকে হারিয়েছে।এদিনের এই শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে এছাড়াও বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সভাপতি তথা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল , মন্ত্রী টিঙ্কু রায় ,সুশান্ত চৌধুরী, কিশোর বর্মন, পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার সহ দলের বিধায়ক ও বিভিন্ন পদমর্যাদার নেতৃত্বরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত দলীয় নেতৃত্ত প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। উল্লেখ্য ১৩৯ দিন জীবন যুদ্ধের লড়াই এর পর প্রয়াত হন ৭১ বছর বয়সী বিশ্ববন্ধু সেন।

advertisement

পরবর্তী খবর

- Advertisement -